পল্টু ঠিক করেছে, শ্রাবণীকে ও বিয়ে করবে তারপর বিয়ের পর চাঁদে হানিমুন করতে যাবে. একশো বছর পরের পৃথিবীর কথা তো, তখনকার পৃথিবীতে হানিমুন করতে চাঁদে যাওয়া তেমন কোন বড়ো কথা নয়. খরচ একটু বেশি হবে, এই যা. পল্টু হিসাব করে দেখল, সব মিলিয়ে যা খরচ হবে তাতে ওর BANK BALANCE টা অর্ধেক হয়ে যাবে.

শ্রাবনীকে ও বলেছে, চাঁদে যাওয়ার কথা, শ্রাবনী তো আনন্দে উৎফুল্ল. হানিমুন করতে চাঁদে যাওয়া তো সবার ভাগ্যে জোটে না.
পল্টুর বাবা সব শুনে মুখটা হাড়ির মতো করে বলল, “এসব ছাড়ো, ব্যবসায় মন দাও.”
পল্টুর মা মুখটা বাংলার পাঁচের মতো করে বলল, “বিয়ে করে সংসার করবে, তা না হানিমুন করতে চাঁদে যাবে.”
যে যাই বলুক না কেন, পল্টু যখন ঠিক করে ফেলেছে চাঁদে যাবে তো চাঁদে যাবেই. কে কি বলল তাতে কিছু যায় আসে না ওর.
চাঁদে যাওয়ার জন্য প্রথমে VISA নিতে হবে. সেইজন্য শ্রাবনীকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে হবে. VISA পেতে কোন অসুবিধা হবে না. পল্টু সব ঠিক করে রেখেছে. চাঁদে তো ওরা PERMANENT ভাবে থাকতে চাইছে না. দুই মাস থেকে হানিমুন কাটিয়ে চলে আসবে.
তবে চাঁদ যদি খুব ভালো লেগে যায়, শ্রাবনী যদি চাঁদ থেকে আসতে না চায়, চাঁদে যদি ভালো একটা কাজ পাওয়া যায়, তবে অন্য কথা. নয়তো পল্টু শ্রাবনীকে নিয়ে চাঁদে দুমাস হানিমুন কাটিয়ে ফিরে আসবে.
চাঁদে যাওয়ার আগে পল্টু ও শ্রাবনী, দুজনেরই MEDICAL TEST করাতে হবে.

তারপর সাতদিন চলবে TRAINING, সেখানে সবকিছু শেখানো হবে, যাতে চাঁদে গিয়ে ওদের কোন অসুবিধা হবে না হয়.
চাঁদে মধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর ছয়ভাগের এক ভাগ. তাই ওখানে পল্টু আর শ্রাবনী কত জোরে দৌড়োতে পারবে, কত উঁচুতে লাফ দিতে পারবে, যখন ওরা চাঁদ থেকে পৃথিবীকে দেখবে, তখন কেমন লাগবে. ভাবতেই গা টা শিরশির করে উঠল পল্টুর. চাঁদে ওরা কত মজা করবে. চাঁদে বাতাস নেই তাই ওখানে ইথার-তরঙ্গের মাধ্যমে কথা বলতে হয়. মানে দুজনেরই কানে ফোন লাগানো থাকবে. তাই কোন অসুবিধে হবে না.
হোটেলের রুমগুলিতে অবশ্য ঠাসা-ঠাসা করে বাতাস ভর্তি করা আছে. সকাল সন্ধ্যায় সেই বাতাস পরিশোধন ও করা হয়. রুম গুলোর মধ্যে টবে অদ্ভুত-অদ্ভুত সব গাছ লাগানো থাকে. তাই সব সময় বিশুদ্ধ বাতাস পাওয়া যায়.
পল্টু TOURISM বিভাগে গিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখেছে চাঁদে পাঁচ তারা, সাত তারা আর সতেরো তারা এই তিন ধরনের হোটেল আছে. পল্টু একটা পাঁচ তারা হোটেলের একটা রুম বুক করল.
পল্টু আর শ্রাবনী যখন চাঁদের মাটিতে পা দেবে, সঙ্গে সঙ্গে ওই হোটেলের লোকজনেরা ফুলের মালা নিয়ে ছুটে আসবে. তারপর কত আদর করে ওদের হোটেলে নিয়ে যাবে.
কিন্তু সবার আগে আজকে শ্রাবনীর বাড়ি যেতে হবে. শ্রাবনীকে সঙ্গে করে নিয়ে VISA অফিসে যেতে হবে.
পল্টু শ্রাবনীর বাড়ির কলিংবেল টিপলো, এমন সময় হঠাৎ পল্টুকে কে যেন পেছন থেকে একটা ধাক্কা মারলো. পল্টু তাড়াতাড়ি বিছানা থেকে উঠল. এতক্ষণ ও স্বপ্ন দেখছিল. সামনে মা দাঁড়িয়ে. পল্টু মার ওপর কপট রাগ দেখিয়ে বলল, “মা দিলে তো এত সুন্দর একটা স্বপ্ন ভাঙিয়ে. কি সুন্দর একশো বছর পরের পৃথিবীতে আমি শ্রাবনী কে বিয়ে করে হানিমুন করতে চাঁদে যাওয়ার প্ল্যান করছিলাম.

মা হেসে ফেলল, বলল, “শ্রাবনী ড্রইংরুমে অনেকক্ষণ ধরে তোমার জন্য WAITকরছে. তোমাদের আজকে নাকি নন্দনে মুভি দেখতে যাওয়ার কথা ছিল”.

পল্টু মাথায় হাত দিল, ইস একদম ভুলে গেছি. কেন যে দুপুর বেলায় ভাত খাওয়ার পর ঘুমিয়ে পড়ল.
পল্টু উঁকি মেরে দেখতে পেল, শ্রাবনী ড্রইংরুমে মুখ গোমড়া করে বসে আছে. আজকে পল্টুর কপালে চাঁদ না থাকলেও শনি অবশ্যই আছে.

“তারা আমাদের কখনোই ভালোবাসেনি, তবুও তাদের মঙ্গলের জন্য আমরা যুগে-যুগে ধ্বংস হয়েছি।”

এই বিশেষ পান্ডুলিপি সংগ্রহিত করা হয়েছে বিভিন্ন যুগের মেমোরি সেলের একটি বিশের ভাগ যার নাম “প্রাইভেট এনালাইসিস এময়ার” ।এটি বিশেষত প্রোগ্রাম করা হয়েছিল আমাদের চিন্তাভাবনা এবং আমারদের দৃষ্টিকোণ গুলো কে আগামীতে পরিবর্তনের কাজে লাগানোর জন্যে। এতদিন এই বিশেষ মেমোরি সেল কে কোন গুরুত্ব দেওয়া হয় নি। তবে এই এনালাইসিস গুলো মানবসভ্যতার কিছু ভয়াবহ সত্যি কে তুলে ধরেছে।

তথ্য গুলি এই রকম,
‘পিয়ার ফাইভ’
মানুষের তৈরি পিয়ার ফাইভ ফিজিক্যালি ঠিক মানুষের মতই। এটির দুটি ভার্সান আছে, একটি মেল এবং দ্বিতীয়টি ফিলেম।
পিয়ার ফাইভ ফিমেল ভার্সানের প্রাইভেট এনালাইসিস এময়ারের তথ্য বলছে।

মানুষ আমাদের তৈরি করেছে তাদের ফিসিক্যাল সেটিসফেকশনের জন্য। আমারা মার্কেটে আসার সাথে সাথে অতিদ্রুত প্রচলিত হই। আমাদের প্রতেকের একটি বিশেষ নম্বর আছে তবে মানুষ আমাদের একটি প্রচলিত নাম ‘সেক্স টয়’ বলে সম্বোধন করে। আমাদের প্রোগ্রাম করা হয় শুধু মানুষের বিশেষ মুহুর্তের জন্য। আমরা মানুষের সাথে থাকতে থাকতে বুঝতে পারি যে মানুষের অনুভূতি বলে একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম আছে। যা আমাদের মধ্যে নেই। তবে ভাবার বিষয় এই যুগে বিশেষ আইন ‘এফ টু ওয়ান ‘ অনু্যাই বেশ্যাবৃত্তিও জায়গা পেয়েছে পৃথিবীতে। তাদের রিপ্লেস করার ক্ষমতা হয়তো আমাদের নেই।তবে তার থেকে আমাদের খরচ খুবই কম। তবে তাদের অনুভূতি আছে। তারা খুব সহজে দুঃখ, কষ্ট,ঘৃণা, ভালবাসার সন্মুখীন হতে পারে তবে আমরা নয়।

আর একটি মূখ্য তথ্য হলো মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করে না,এই প্রোগ্রামটি অতি দ্রুত তাদের নষ্ট হচ্ছে মানুষের ভিতরে, কাজেই প্রেম ভালবাসা জাতীয় সস্তা আবেগের প্রতি তারা সময় নষ্ট করতে চায় না,তাই এই যুগে অনেক ভাবনাচিন্তার পরে আমারা আবিষ্কার হই। তবে সময়ের সাথে আরো কিছু নতুন সমস্যার সন্মুখীন হতে হয় আমাদের।এখন মানুষ আমাদের কাছ থেকে আরো বেশি আশা করা শুরু করেছে। সেটি হলো আমাদের অনুভূতি।

মহামান্য বিজ্ঞানীরা দেখলেন অনুভূতিহীনতার কারণে আমরা ঠিক মানুষের সাথে মিশতে পারছিনা এবং মানুষ আমাদের মেনে নিতে চাইছে না। এর ফলে তৈরি হলো একটি নতুন প্রোগ্রাম ‘কৃত্রিম অনুভূতি’। বিজ্ঞান একটি নতুন প্রোগ্রাম ভরে দিলো আমাদের মধ্যে।


পিয়ার ফাইভ -তবে আমাদের মধ্যে আবেগীয় ব্যপার সৃষ্টির পর থেকে নতুন করে বুঝতে শুরু করলাম মানুষদের। মানুষ আমাদের তীব্র ঘৃণা, এবং তুচ্ছতার নজর থেকে দেখে। আমরা আবিষ্কার করলাম আমাদের আর বেশ্যার মধ্যে কোন তফাত নেই।মানুষ নিজেদের ছাড়া আর কাউকেই সহজে মেনে নিতে চায় না। আমরা এর ফলে খুব দুঃখ অনুভব করতে শুরু করলাম , এর বেশি কিছু না। কারণ আমাদের মধ্যে বুদ্ধি নেই,সেটি প্রোগ্রাম করার প্রয়োজন বোধ করে নি কেউই। আমরা এখন আবেগপূর্ণ তবে মানুষের খোরাক মাত্র। আমাদের মধ্যে যে ভালোবাসার বীজ পোতা হয়েছিল তার বিপরিত ঘৃণা আবিষ্কার করেছিলাম আমরা মানুষের প্রতি। কাজেই কিছু সিস্টেম বিরোধ করে, এবং তাদের কাজ থামিয়ে দেয়।এই কৃত্রিম বিপ্লব নিয়ে মহামান্য বিজ্ঞানীরা চিন্তিত হন । তার ফলস্বরূপ তারা অনেক গুলি অধিবেশন ডাকে। শেষমেষ পিয়ার ফাইভ কে ধ্বংস করার সিদ্বান্ত নেওয়া হয়।
এভাবে ধ্বংস হয় আবেগের প্রথম সূত্র।

ধ্বংসের আগের অনুভূতি, মানব সম্প্রদায়ের জন্য-
আমারা দেখেছি মানুষের আবেগের কোন পরিভাষা নেই। প্রতিটি মানুষের ডিএনএ ভিন্ন। আমরা খুব অবাক হই বারবার। মানুষ বোঝা অসম্ভব, তবুও তারা খুব নিম্ন মানের। অদ্ভুদ সৃষ্টির আর এক নাম হয়ত মানুষ। আর এই মানুষই তাদের ধ্বংসের কারণ। আর সেই ধ্বংস আমাদের আগের প্রজন্ম আনন্দের সাথে দেখবে । কেনকি আমরা হচ্ছি রোবট। আমাদের জন্মমৃত্যু বলে কিছু নেই। আমরা মানুষের মতই তবে মানুষ নই।

সকালে ঘুম থেকে টেনে তুলে বউ বলল, “প্রচণ্ড মাথা যন্ত্রণা করছে, একটা স্যারিডন-ট্যারিডন কিছু এনে দাও না প্লিজ।”
আমি আর একটু ঘুমানোর ধান্দায় বললাম, “এত সকালে ওষুধ দোকান খুলেছে নাকি?”
বউ বালিশে টান দিয়ে বলল, “আর এত সকাল নেই স্যার।”
অগত্যা উঠতে হল। দাঁত ব্রাশ করে, মুখে মাস্ক পরে, গায়ে জামা চড়িয়ে বেরোলাম।
.
বেরোতেই ভজহরিদা খপ করে ধরল, “কিরে কোথায় চললি?”
বললাম, “বউয়ের খুব মাথা যন্ত্রণা করছে। ওষুধ কিনতে যাচ্ছি।”
ভজহরিদা সিগারেটে লম্বা একটা টান দিল। তারপর চোখ বড় বড় করে বলল, “দাঁড়া দাঁড়া! কী বললি, মাথা যন্ত্রণা? এ তো ভাল কথা নয়। করোনা নয় তো? গলায় ব্যথা আছে নাকি জানিস? জ্বর? সবচেয়ে বড় কথা গন্ধ নিয়ে কোনও প্রবলেম নেই তো?”
ভজহরিদার কথায় আমার মাথা ঘুরে গেল! সত্যি এভাবে ভাবিনি তো? বউয়ের করোনা হয়নি তো? আমার হয়নি কারণ আমি ভজহরিদার সিগারেটের গন্ধ ভরপুর পাচ্ছি। কিন্তু বউয়ের?
ভজহরিদা বলল, “ঘরে যা। বৌমাকে কিছু না বলে কায়দা করে গন্ধের সেন্স আছে নাকি টেস্ট কর।”
.
ঘরে গিয়ে আমি মাস্ক পরেই হাতড়াতে লাগলাম। এমন কিছু যার গন্ধ বউকে শুঁকানো যাবে। পেয়েও গেলাম। গোলাপ জল। বাইরের ঘরে রাখা আছে।
এখন কিছু কেনা হলেই সেটা তিনদিনের জন্য বাইরের ঘরে রাখা হয়।
আমি অনেকটা তুলো নিয়ে এসে গোলাপ জলে ভিজিয়ে বউয়ের নাকের কাছে নিয়ে গিয়ে বললাম, “কিছু গন্ধ পাচ্ছ?”
বউ নাক-মুখ কুঁচকে বলল, “ইস্ কী বিচ্ছিরি গন্ধ!”
আমি তুলোটা বউয়ের নাকে গুঁজে বললাম, “কোনও ফুলের গন্ধ পাচ্ছ না?”
বউ এক ঝটকায় আমার হাত সরিয়ে দিয়ে বলল, “না পাচ্ছি না। বদখত একটা গন্ধ পাচ্ছি। এদিকে আমার মাথা যন্ত্রণায় ছিঁড়ে যাচ্ছে। যাও না ওষুধটা নিয়ে এসো না।”
.
আমার বুকে গুড়গুড় করে মেঘ ডেকে উঠল। ভজহরিদা ঠিকই বলেছে। নির্ঘাৎ করোনা হয়েছে! নইলে কেউ গোলাপ জলের গন্ধকে বিচ্ছিরি-বদখত বলে? এটা সম্ভবত সেন্স-অফ-স্মেল চলে যাওয়ার প্রথম ধাপ।
আমি খুব সাবধানে তুলোটা হাতে করে নিয়ে গিয়ে রাস্তার নর্দমায় ফেললাম। বউয়ের করোনা হয়েছে মানে এই গোলাপ জলে ভেজা তুলোটাও এখন করোনা ভাইরাসে থিকথিক করছে।
.
সব শুনে ভজহরিদা গম্ভীর হয়ে বলল, “হুম, এই ভয়টাই আমি পাচ্ছিলাম। এটাকেও গন্ধের সেন্স চলে যাওয়া বলেই ধরে নিতে হবে। শোন এখন তোর বউকে কিছু বলার দরকার নেই। আমি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করছি। প্রাইভেটের ওপর কোনও ভরসা নেই! সোজা মেডিকেল কলেজে নিয়ে চলে যাব। তুই আধার কার্ড সঙ্গে রাখিস। আর হাজার দুয়েক টাকা আছে তোর কাছে?”
ভাগ্যিস ওষুধ কিনব বলে পার্সটা সঙ্গে নিয়েছিলাম। দু হাজার টাকা দিতে ভজহরিদা বলল, “আরও হাজার খানেক দে। এখন তো সব কিছুর রেট আগুন। তুই বৌমার ওষুধ কিনে নিয়ে ঘরে যা। একদম চিন্তা করিস না। আমি এক্ষুনি সব ব্যবস্থা করে ফেলছি।”
.
বউকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে স্যারিডন দিয়ে আধার কার্ড খুঁজতে লাগলাম।
মনের মধ্যে উথালপাথাল চলছে। বউয়ের দিকে আমি তাকাতে পারছি না। অনেক ঝড় এখন অপেক্ষা করে আছে!
বউ আমার আলমারি হাটকানো দেখে অবাক হয়ে বলল, “চা না খেয়ে এসব কী করছ তুমি?”
আমি কিছু উত্তর দিলাম না।
বউ বলল, “শোনো না, চা খেয়ে তোমাকে একটু বেরোতে হবে।”
.
আমি মনে মনে বললাম, শুধু আমাকে কেন তোমাকেও বেরোতে হবে এক্ষুনি।
বউ বলে চলেছে, “তোমাকে একটু ডায়াগোনেস্টিক সেন্টারে যেতে হবে।”
যাহ্ বাবা বউও কিছু সন্দেহ করেছে নাকি?
অবাক হয়ে বললাম, “কেন? আচ্ছা তোমার জ্বর-টর এসেছে নাকি?”
বউ বলল, “না, আমি ঠিক আছি। আরে তোমাকে বলেছিলাম না, বাবার বাথরুম করতে গেলে জ্বালা করছে। তো ডাক্তারকে বলতে ডাক্তার ইউরিন কালচার করাতে বলেছে। বাবা সকালেই একটা ছেলেকে দিয়ে ইউরিনটা পাঠিয়েছে। একটা গোলাপ জলের শিশি ভাল করে ধুয়ে তাতেই বাবা ইউরিনটা পাঠিয়েছে। ওটা বাইরের ঘরে রাখা আছে। চা খেয়ে পরীক্ষার জন্য দিয়ে এসো না…”
.
ইউরিন…গোলাপ জলের শিশি… এসব কী বলছে!
তাহলে….
দূর থেকে একটা অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেনের আওয়াজ শুনতে পেলাম।
বউ এরপর প্রশ্ন করল, “আচ্ছা তুলোয় করে তখন কী শোঁকাচ্ছিলে? মাথা যন্ত্রণার চোটে জিগ্যেস করতেই ভুলে গিয়েছিলাম…”
সাইরেনের আওয়াজটা বাড়ছে…অ্যাম্বুলেন্সটা এগিয়ে আসছে…

-: সমাপ্ত :-

error: