Poems


লাল রঙা রক্তকনা গুলো কারখানার চিমনি নিঃসৃত ধোঁয়া হয়ে মিশে যায় পৃথিবীর বুকে।
হাহাকার ওঠে ছোট্ট কুড়েতে, কান্নায় ধুয়ে যায় সব রক্ত।
বুক খালি হয় কোন এক নারীর, পিতৃহারা হয় ছোট্ট প্রানেরা।
অর্ধ নগ্ন হয়ে শরীর বেচে বাবুদের বিছানায়।
আধপেটা শিশুরা খিদের জ্বালায় ঘুমায় উঠোনপাশে।
আকাশে ক্ষুধার্ত শকুন, লক্ষ্যে স্থির নিম্নে, জীবন্মৃত মাংস পিন্ডের পানে।
বয়ে যায় সময়, চলতে থাকে জীবন ধারা।
সমাজ নির্লজ্জ চক্ষু মেলে দেখে আর লভাংশ ভাগ করে নেয়,
আর আমি লিখে যাই প্রেমের কবিতা! বাহ ধন্য আমার কবি হওয়া!

শরীর থেকে খোলস খুলে খুলে পড়ছে ক্রমশ মাটির পরে।
মৃত পালক উড়ছে বাতাসে
রক্ত ঝরে আলগা চঞ্চু নখরে।

কোন এক অজানা গন্তব্যে ধাবমান জীবন নদীর ভেলা।
হয়ত শেষের ঠিকানায় পাড়ি জমিয়েছে মেঘমল্লা।

জীর্ণ দেহ মনে ঘুন ধরে খুন করেছে সমস্ত রক্তকনা।
হিম দেহে সারাজীবন হোচট খাওয়া আমিটা আজ বড়ই মৃত্যু মনা।

অস্পষ্ট চাহনিতে আশাহত চোখ গুলো তাকিয়ে সারাক্ষন আকাশপানে।
কখন ডাক আসে ঐসুদূরের
এক অদেখা, অচেনা অমোঘ প্রেমের গানে।


“”””””””””””””””””””””””
হিংস্রতা হাঁ করে খাচ্ছে
সমাজের যত কোমলতা।
হৃদয়ে জমাট বেঁধেছে
বিদ্বেষের কালো রক্ত।
ক্ষয়িষ্ণু সমাজের অলি গলি
অমানবিক রক্তস্রোতের আসা যাওয়া , সারাক্ষণ।
তার বিষাক্ত ছোঁয়ায় পারস্পরিক হৃদ্যতা আজ
মৃত্যুর প্রহর গোনে।
স্বার্থমগ্ন চতুর মনের লোভাতুর জিহ্বা লকলক করে
বিকৃত লালসায়।
অন্যের দুঃখে কাঁদে না কারো মন।
কারো আর্তনাদ, হৃদয় ঘায়ের হাহাকার, কারো মনে জাগায় না কোনো হৃদানুভূতি।
প্রেমে প্রতারণার ফাঁদ পাতা,
ভালোবাসা বিষে ভরা।

আমার জীবনের অনেক গুলো সময় কেটেছে মৃত্যুর প্রতীক্ষায়।
ডুবে গেছি অনিশ্চয়তার করাল গ্রাসে।
মিশে গেছি ঝিম কালো অন্ধকারে।
চেয়েছি অন্তিম অনন্ত শয্যা।
কিন্তু পাইনি মৃত্যুর স্বাদ, পাইনি মৃত্যুর ছোঁয়া।
মৃত্যুর বদলে পেয়েছি এক আকাশ প্রান আমার হিম দেহে।
অন্ধ চোখে পেয়েছি আলোক।
মূক মুখে পেয়েছি ভাষা।
ভেতরের মরে যাওয়া আমিটা পেয়েছে জীবনের ঘ্রাণ।
প্রানের স্পন্দন, সবুজের কোমলতা সারা দেহ মনে।
শুষ্ক হৃদয় পেয়েছে ভালোবাসার কোমল পরশ।
তাই আজও বেঁচে বাঁচিয়ে রেখেছি আমিটাকে।
চলতে হবে জীবন পথ, বহু ক্রোশ।

জীবন মানেই সুখ দুঃখ।
জীবন মানেই ভাঙ্গা গড়া।
জীবন পথে চলতে চলতে
পিছলে গিয়েও উঠে পড়া।
জীবন মানেই হাসি কান্না।
জীবন মানেই জোয়ার ভাটা।
জীবন স্রোতে পাল তুলে জীবন পথে এগিয়ে যাওয়া।
জীবন মানেই কষ্টে হৃদয় ভেঙ্গে আবার নতুন স্বপ্নে চোখ রাখা।
জীবন মানেই বাধার বিন্ধ রক্তাক্ত হয়েও নগ্ন পায়ে পাড়ি দেওয়া।
জীবন মানে অন্ধকারে ও সঠিক পথে চলতে শেখা।
জীবন মানেই হতাশার মাঝে বাঁচার প্রেরণা খুঁজে নেওয়া।
জীবন মানেই সাহস বুকে সত্যের পথে পা রাখা।
জীবন মানেই বিপদ বুঝে বিপদকেই জয় করা।
জীবন মানেই সবার সাথে
আপন খেয়ালে নিজেকেই বিলিয়ে দেওয়া।
জীবন মানেই সবাইকেই আপন ভেবে নিজের বুকে জড়িয়ে নেওয়া।
জীবন মানেই জীবনের সাথে অদ্ভুত এক রঙ্গ তামাশা।
জীবন মানেই মৃত্যুর স্বরুপ জেনেও মৃত্যু কেই ভালোবাসা।

পরের জন্মে নাইবা পেলাম তোমায়,
এই জন্মেই ভালোবাসায় রেখো।
কাঁপা হাতে চায়ের কাপটা নড়ে,
তুমি তখন হাতটা ছুঁয়ে রেখো।

গানটা বুঝি বেসুরো হয় হোক,
গলার শব্দ ভাঙন ধরে যদি,
মিলিয়ে দিও তুমিও কিছু সুর
সামলে নিও দুচোখ ভাসা নদী।

নাচের তালে ছন্দ যদি কাটে,
হোকনা কোনো উদ্দাম এক নৃত্য,
বুকের ভিতর ধুকপুকানি বলে,
জড়িয়ে থাকি যতই আসুক মৃত্যু।

কথার স্বরে জড়ায় যদি কথা,
বুঝে নিও আবছা কথার মানে।
শরীরে আজ যতই বয়স বাড়ুক,
রং ছুঁয়ে থাক চিরসবুজ মনে।

কেমন আছো! ভালো আছো!
প্রশ্নটা আজ বড়ই ক্লিশে,
আছি বেঁচে, শ্বাস নিচ্ছি
ভাইরাস ভয় শ্বাস-প্রশ্বাসে।

আর কতোদিন আছি আমি
হিসাবটা তার তিনিই জানেন।
মরছে মানুষ, কাঁদছে মানুষ
বোধহয় কানে কমই শোনেন।

মৃত্যুভয়ে কাঁপছে সবাই
ডাকছে হরি প্রাণপণে,
কিছু মানুষ মানছে নিয়ম
বাকি চলে আপন মনে।

জানাচ্ছে না রোগের কারণ
লুকিয়ে ভয়ে দিচ্ছে ফাঁকি,
এমন করে ঘুরলে পাড়া
পাড়ার মানুষ বাঁচবে নাকি!

আশার আলো পাচ্ছিটা ক‌ই!
বকছে যে যার আপন মনে
টিভিতে রোজ চোখ আর মাথা
কমল কজন, সেটাই গোনে।

আমার শুধু আজটি আছে
কাল-টা কি আর আসবে হাতে!
রোজ শুতে যাই গভীর ভয়ে
মৃত্যু মিছিল স্বপ্নে রাতে।

তবুও আমি লিখবো ছড়া
ছড়াতে মনে আশার আলো,
দেখা হবেই নতুন ভোরে
বন্ধু আমার থেকো ভালো।


বরণীয় যারা স্মরনীয়তারা
তাদের জানাতে সন্মান ,
বছরের দুটি দিনকে মোরা
করছি যে সর্মপন।

সারা বছর শহীদ দের তরে
জানালে সন্মান, তবু ও
ফিরিয়ে দিতে পারবোনা
তাদের রক্তের দাম।

ক্যালেন্ডারের পাতায় লাল কালিতে লেখা
আরোএকটা ছুটি র দিন।
কেবা মনে রাখে কী করে
মোরা হয়েছিলাম স্বাধীন।

কত যে রক্ত বয়ে গেছে এই
স্বাধীনতা টুকু পেতে,
কত যে মাকেঁদে ভাসালো
সন্তান কে আহুতি দিতে।

পেলাম মোরা স্বাধীনতা
১৯৪৭ সালে।
আগস্ট মাসের ১৫তারিখ
সেটা তো সবাই জানে।

রক্তদিয়ে রক্ষা করলেন
ভারতমাতার লাজ।
বীরসন্তানদের জন্মদিয়ে
কত মায়ের কোল হয়েছে ফাঁক।

স্বাধীন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী
দিলেন জাতীর উদ্দেশ্যে ভাষণ,
লালকেল্লায় সেবার হলো প্রথম
পতাকা উত্তোলন।

৭৪বছর হলো মোদের দেশ স্বাধীন
এখন আমার স্বাধীন দেশের
একজন নাগরিক।

২০০বছরের পরাধীনতা্র
শৃঙ্খল গেছে খুলে,
স্বাধীন দেশে বাঁচছি মোরা
সারাদিন মাথা তুলে।

শত শত বীর শহীদদের
জানাই যে সন্মান।
তীরঙ্গা পতাকা উত্তোলন হয়
গেয়ে দেশাত্মবোধক গান।

সত্যি কী মোরা হয়েছি স্বাধীন?
একেই কী বলে স্বাধীনতা?
স্বাধীনতা র নামে পতাকা
উড়িয়ে হবে কীদেশের মান রক্ষা?

🇳🇪🇳🇪🇳🇪🇳🇪🇳🇪🇳🇪
বহরমপুর/মুর্শিদাবাদ

অন্ধকারে স্ফুলিঙ্গ হয়ে জ্বলে উঠি
হারিয়ে যাওয়া ঠিকানায় আমরা এক জ্বলন্ত চিঠি।
ভয়ঙ্কর রাত পেরিয়ে নতুন ভোরের স্বপ্ন দেখতে জানি
আমরা নারী,আদর্শকে জীবনের সত্যি বলে মানি।।

কোমল,শান্ত,স্নিগ্ধ আবেশে ঘেরা যে আমাদের জীবন
রূপকথার গল্প আর সাতসুরের স্বপ্ন দিয়ে সাজানো থাকে মনের গহন।
ঝড়ের তান্ডবে,গতির রুদ্ধপথে পরিস্থিতির স্বীকার হই বারবার
থামতে আমরা জানি না,হারকে আমরা মানি না
তাইতো ফিরে আসি উদ্যোগকে নতুনভাবে সাজিয়ে আরো একবার।

মায়ের মমতারূপী আমরা নারী,
সহজ-সরল আবেগ নিয়ে নতুন জীবনগুলোকে সাজিয়ে দিতে আমরা নারী।
জীবনের রঙ্গমঞ্চকে স্বপ্নের রঙে রাঙিয়ে দিয়ে যাই
পরিস্থিতির সাথে সাথে নিজেদেরকে মানিয়েও নিই তাই।

শ্রদ্ধা আর অনুরাগে সম্পর্কগুলোকে বাঁধতে জানি
আমরা নারী, আঘাত ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে পারি।
কলম হাতে,মশাল হাতে জীবনের জয়গান গাইতে পারি
আমরা নারী, নিজেদের জন্য আমরা নিজেরাই লড়তে জানি।।

অদ্ভুত সুন্দর এক দৃষ্টিভঙ্গি
কিছুটা খামখেয়ালির বায়না,
মনের সাথেই গল্প পাতায়
নিজের কাছে নিজেকে চেনায়
আশ্চর্য এই আয়না।

আবহমান আর চলমান পৃথিবীতে ব্যস্ত মানুষ
প্রতিযোগিতাই যে আজ অগ্রগামী।
নিজের কাছে নিজেকে চেনাতে
নিজস্বতার মেলবন্ধনটাই অনেকটা দামী।

আমার, তোমার,আমাদের সবার
মনকেমনের যত আবদার,
নিজের কাছে নিজের পাশেই থাক।
নিজের জন্যই বরাদ্দ হোক কিছুটা সময়
প্রতিযোগিতাকে ভুলে গিয়ে নিজস্বতাটাই সামনে থাকুক,
নিজের জন্য নিজেকে ভালোবেসে জীবন গল্প লিখুক বারবার।।

স্বাধীনতা তুমি জীবন জয়গানে বেঁচে থাকার নাম
স্বাধীনতা তুমি অকপটে বলা এক মুক্তির স্লোগান।

স্বাধীনতা তুমি অশ্রু ভুলে গর্জে ওঠার সুর
কামান-বারুদের লড়াই শেষে পৌঁছে যাওয়া সেই আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্নপুর।

স্বাধীনতা তুমি প্রতিবাদের ভাষা,ইচ্ছেপূরনের আধার
দুঃখ শেষে অর্জিত সুখের সমাহার।

স্বাধীনতা তুমি মুক্ত হাওয়া পাগলপারা মন
নিভৃতের রচয়িতা ধনধান্যে ভরা জীবন।

স্বাধীনতা তুমি কান্না ভুলে হাসতে থাকার রসদ
গহন অরন্য পেরিয়ে আলোর ঠিকানার সুদৃঢ় পথ।

স্বাধীনতা তুমি বাঁচার আশায় উড়তে পারার ডানা
রঙ্গমঞ্চের আবির্ভাবে জিতে যাওয়ার ঠিকানা।

স্বাধীনতা তুমি আমার।স্বাধীনতা তুমি সবার।
স্বাধীন মনে স্বাধীন ভাবনায় স্বাধীনতা আসুক বারবার।।

The hardships he faced every now and then…
The invisible battles he fought within…
The tantrums,the insults,the harrasment,the depression,the anxiety..he tolerated by himself..

Never did he thought of sharing it with her..
The burden could have been divided..
His loneliness in which he succumbed into could have been avoided..
But the only thing which truly harmed him was his Ego..

He thought “Why will I show my weakened side to her?..
What will she think of me,am a loser or what!”
But this biased mindset one day,
came to a crossroad where,
for the very first time he chose the correct path…

The path which never judged him,whether he was a loser or a winner..
It only wanted to comfort him in every situation no matter what,in every way possible…
It only wanted to convey him that it loves him..
It only wanted to tell him not to worry but just to lead your life..
Ups and downs are just parts and participles…

Yes,the path led to the safest and the most coziest of all..
In her arms…he was..
broken but wanted to be mended by her indefinite love and care…

অগোছালো ছায়াপথ
সব চরিত্র কাল্পনিক,
দাদু, জেঠু, বাবা, কাকা
তাঁরাও নাকি অ-স্বাভাবিক

তোমরা বলো নারীই ধর্ম, নারীই শ্রেষ্ঠ,
নারীই সর্বদামী
কাম, যশ, অহং দলিত
জীবনরেখা কেবল-ই নিম্মগামী।।

error: